এখন বৃষ্টি শব্দের রতিপূর্বক মানে। অবভিয়াসলি, গ্রেট লি এতদিন ধরে খেলছেন তার কনুই-এ গলায় হাঁটু ও তালুর রক্তে র্যাকেটের দাগ পড়বে না? বৃষ্টি তাকেও তো ভিজিয়েছে নানান কোর্টে, নীল নিয়ে ছুঁড়ে দিয়েছে ব্লপ ব্লপ ব্লপ শব্দে - এক দীর্ঘ শ্বেত যেখানে ভয় নিয়ে দাড়িয়ে রয়েছে ! আমরা এসব বৃষ্টির কথা এ ওর শরীরে গুঁজতে গুঁজতেই তাগিদের কুয়াশা দেখছিলাম ! যে কোন কুয়াশায় বাচ্চাদের দৃশ্য আলোকপ্রসবে আসে ! এহ বাহ্য, ওরা আমাদের দেখে হাসে। রাঙা ভাষায় এত অদ্ভুত কোয়াশ পেড়ে আনে যে......যাদের নিজের কাঠবাড়ি ভয়পূর্বক রোমাঞ্চে ঢাকা তারা টের-ই পাবে না ! বৃষ্টির নাক থেকে ঘন সাদা ভয় গরম হয়ে পড়ছে, মাঝে মধ্যে প্রিয়ার বাতাস কমে যাচ্ছে - এ সমস্ত দৃশ্যের টেটভ্যাক প্রায় চৌখস অনুরোধের থেকেও দ্রুত, এই টাইপের থেকেও কঠিন ও সাবলীল ! আমরা পরস্পরকে প্রায়ই বলে থাকি রহস্যময় হারানোর কথা। কচি সিঁদুরবিলাস যা কোনোদিন কল্পশাঁখা ছোঁয়নি, একগোছা ভাত-ও তুলে দেয়নি দিয়েছে যা গোলাপ দিয়েছে - তেমন মা-এর কথা বলি। দীর্ঘ মা তেল ও বিষাদ বয়ে বয়ে এই রোদ্দূর পর্যন্ত চলে এলেন - এখন তার পদ্মে বসার সময়। একটা পাতা এসে নদীর ধারে সিংহাসন পাতবে, শত্রুকে ছাই খা ইত্যাদিও- মেয়েকে আমার কনুই-এর কঙ্ক করে রাখি।
solitudeplease
Saturday, May 10, 2014
Saturday, January 22, 2011
সীমান্তের গাছ
গতবছর আমি একপাতাও ডায়রী লিখিনি। আমার বাড়িতে ডায়রী আসতো গাদা গাদা। বাবা আনতেন আমাদের চার ভাইবোনের জন্য। হামেশাই পাঁচ বা ছয় নং ডায়রীখানা নিয়ে লড়াই হতো আমার আর বোনের মধ্যে। বাবার সালিশীতে অবশ্য সেটা গিয়ে পড়ত দিদিদের কারুর হাতে। তবু হরেদরে প্রায় গোটাতিনেক ডায়রী আমার প্রতি বছর প্রাপ্য ছিল। ক্লাস ফাইভ থেকে পাওয়া প্রতি বছরের ডায়রী আমার ঘরে সাজানো। কোনটাই খালি না। কবিতা, গপ্প, অজস্র দু-তিন পাতার অসমাপ্ত উপন্যাস, এমনকি গোটাকয়েক গান-ও পাওয়া যাবে। আঁকাটা অবিশ্যি আমি ডায়রীর পাতায় পছন্দ করতাম না। এখনো করি না। তবে মাঝে মাঝে কোন কবিতা ভাল লেগে গেলে তা লিখে রাখতাম। সাধারনতঃ কোন অসাধারন কবিতা যা সাধারন পাঠকের ভাল লাগে না, বা বলাভালো দাগ কাটে না, তেমন সব লেখা। যেমন জয় গোস্বামীর "ইচ্ছামতী" কবিতাটি।
অনেকদিন পরে মনে পড়ছে, ভুলে যাবার আগে লিখে রাখি।
একি ইচ্ছা ইচ্ছা কর ইচ্ছে করে ইচ্ছামতী
কবিযশোঃপ্রার্থীজনে এ ভাই কেমন বেইজ্জতী
এসেছিলাম রাত্রিযোগে, আমায় ঠুকরে খেলো বন মোরগে
আমার জন্ম গেল কাব্যরোগে, তাই নিয়ে খুঁৎ ধরলো যত
ভাগ্যবান আর ভাগ্যবতী
হাড্ডীসার হল গাত্র, কিন্তু সুধাও পাচ্ছি পাত্র পাত্র
যার সেবায় কাটছে অহোরাত্র, অগ্রে সে কুলটা হলে
পশ্চাতে নিশ্চয় সতী
তবু চালাচ্ছি এই কামারশালা, আমি দিনে বোবা রাত্রে কালা
আসে আমার জন্য রোজ এক থালা অর্ধভূক্ত সরস্বতী
অন্নরক্ত-সরস্বতী
আর ছিল বইএর তালিকা। লেনিন-মার্ক্স-আ্যঙ্গে্লস থেকে শুরু করে হাওয়ার্ড ফাস্ট, জ্যাক লন্ডন, এমনকি আইজেনস্টাইন পর্যন্ত। শেষের ভদ্রলোক টির লিখিত বই এর তালিকা বেশ লম্বা। একবার পুরনো ব ইএর দোকানে একগাদা পুরনো নন্দন পাই, গড়ে দুইটাকা দাম নিয়েছিল। বাড়ি এনে পড়তে পড়তে হঠাৎই একটা আর্টিক্ লে ওনার বইএর তালিকা পাই। বলা বাহুল্য, এখনো একটি বইএর ও হদিশ পাইনি, ফিল্ম সেন্স জাতীয় দু-একটি মাস্টারপিস বাদে। যাদবপুরের ফিল্ম স্টাডিজের স্বনামধন্য সঞ্জয় মুখার্জির ছেলে আমার সঙ্গেই পড়ে, আই আই টি খড়গপুরে, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। ইচ্ছা আছে তার বাবার কাছে ঢুঁ মারবো একদিন।
বাংলা কবিদের গ্রন্থতালিকা-ও করেছিলাম। কিন্তু তাতে বেশ কিছু খামতি আছে। আমার বড় জাম্বো, অভিক রায়চৌধুরী যৌবনে মৃদুল দাশগুপ্তের সাথে কী একটা ম্যাগাজিন বার করত।ওর কাছ থেকে একটা বই পেয়েছিলাম, নাম তার "জলপাইকাঠের এস্রাজ"। '৯২ এর বইমেলায় প্রকাশিত, সম্ভবতঃ প্রতিভাস থেকে। বইটি পড়ার পর মৃদুলবাবুর বইএর তালিকা অনেক খুঁজেছি, কিন্তু কোত্থাও পাইনি। হয়তো আমার সন্ধানেই ত্রুটি থেকে গেছে। ্যেমন হয়েছিল "গান্ধীনগরের রাত্রি" পড়ার পর। শেষে মণিবাবুর শ্রেষ্ট কবিতা (দে'জ, রবিন্দ্র না নজরুল কি একটা পুরষ্কার পেল কদিন আগে) হাতে নিয়ে ওনার বই-এর মোটামুটী একটা তালিকা করলাম। মণিবাবু ছিলেন আমাদের স্থানীয় স্কুলের মাস্টারমশাই, এই তথ্যটা যতবার আওড়াই ততই ভালো লাগে।
তুলনামূলকভাবে কম আলোকপ্রাপ্ত কিছু লেখকের বইএর-ও তালিকা বানিয়েছিলাম যাদের অধিকাংশই আর ছাপা হয় না। যেমন অসীম রায়। নামটা জানার পর তন্ন তন্ন করে খুজেছি, বই তো দূরের কথা, মানুষটার উল্লেখ-ও পাইনি। পরে, বহুদিন পরে শারদীয় অনিষ্টুপে একটা আর্টিক লে স্টেটসম্যানের এক রিপোর্টারের নাম জানলাম অসীম রায়। কিছু কারনে এই ধারনা হয়েছে, ইনি-ই সেই ব্যাক্তি। তার পরে অবশ্য অসীম রায়-এর একটা গদ্য সংকলন হাতে আসে। আমায় মুগ্ধ করেছিল তার বিষয়ভাবনা।
আমার ডায়রীরা বহুদিন একা। অদূর ভবিষ্যতে তাদের সাথে মোলাকাতের কোন সম্ভাবনা নেই। আশা করি, আমার স্মৃতিচারনে তাদের একাকিত্ব সামান্য হলেও কাটবে। শুভেচ্ছা রইল।
অনেকদিন পরে মনে পড়ছে, ভুলে যাবার আগে লিখে রাখি।
একি ইচ্ছা ইচ্ছা কর ইচ্ছে করে ইচ্ছামতী
কবিযশোঃপ্রার্থীজনে এ ভাই কেমন বেইজ্জতী
এসেছিলাম রাত্রিযোগে, আমায় ঠুকরে খেলো বন মোরগে
আমার জন্ম গেল কাব্যরোগে, তাই নিয়ে খুঁৎ ধরলো যত
ভাগ্যবান আর ভাগ্যবতী
হাড্ডীসার হল গাত্র, কিন্তু সুধাও পাচ্ছি পাত্র পাত্র
যার সেবায় কাটছে অহোরাত্র, অগ্রে সে কুলটা হলে
পশ্চাতে নিশ্চয় সতী
তবু চালাচ্ছি এই কামারশালা, আমি দিনে বোবা রাত্রে কালা
আসে আমার জন্য রোজ এক থালা অর্ধভূক্ত সরস্বতী
অন্নরক্ত-সরস্বতী
আর ছিল বইএর তালিকা। লেনিন-মার্ক্স-আ্যঙ্গে্লস থেকে শুরু করে হাওয়ার্ড ফাস্ট, জ্যাক লন্ডন, এমনকি আইজেনস্টাইন পর্যন্ত। শেষের ভদ্রলোক টির লিখিত বই এর তালিকা বেশ লম্বা। একবার পুরনো ব ইএর দোকানে একগাদা পুরনো নন্দন পাই, গড়ে দুইটাকা দাম নিয়েছিল। বাড়ি এনে পড়তে পড়তে হঠাৎই একটা আর্টিক্ লে ওনার বইএর তালিকা পাই। বলা বাহুল্য, এখনো একটি বইএর ও হদিশ পাইনি, ফিল্ম সেন্স জাতীয় দু-একটি মাস্টারপিস বাদে। যাদবপুরের ফিল্ম স্টাডিজের স্বনামধন্য সঞ্জয় মুখার্জির ছেলে আমার সঙ্গেই পড়ে, আই আই টি খড়গপুরে, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। ইচ্ছা আছে তার বাবার কাছে ঢুঁ মারবো একদিন।
বাংলা কবিদের গ্রন্থতালিকা-ও করেছিলাম। কিন্তু তাতে বেশ কিছু খামতি আছে। আমার বড় জাম্বো, অভিক রায়চৌধুরী যৌবনে মৃদুল দাশগুপ্তের সাথে কী একটা ম্যাগাজিন বার করত।ওর কাছ থেকে একটা বই পেয়েছিলাম, নাম তার "জলপাইকাঠের এস্রাজ"। '৯২ এর বইমেলায় প্রকাশিত, সম্ভবতঃ প্রতিভাস থেকে। বইটি পড়ার পর মৃদুলবাবুর বইএর তালিকা অনেক খুঁজেছি, কিন্তু কোত্থাও পাইনি। হয়তো আমার সন্ধানেই ত্রুটি থেকে গেছে। ্যেমন হয়েছিল "গান্ধীনগরের রাত্রি" পড়ার পর। শেষে মণিবাবুর শ্রেষ্ট কবিতা (দে'জ, রবিন্দ্র না নজরুল কি একটা পুরষ্কার পেল কদিন আগে) হাতে নিয়ে ওনার বই-এর মোটামুটী একটা তালিকা করলাম। মণিবাবু ছিলেন আমাদের স্থানীয় স্কুলের মাস্টারমশাই, এই তথ্যটা যতবার আওড়াই ততই ভালো লাগে।
তুলনামূলকভাবে কম আলোকপ্রাপ্ত কিছু লেখকের বইএর-ও তালিকা বানিয়েছিলাম যাদের অধিকাংশই আর ছাপা হয় না। যেমন অসীম রায়। নামটা জানার পর তন্ন তন্ন করে খুজেছি, বই তো দূরের কথা, মানুষটার উল্লেখ-ও পাইনি। পরে, বহুদিন পরে শারদীয় অনিষ্টুপে একটা আর্টিক লে স্টেটসম্যানের এক রিপোর্টারের নাম জানলাম অসীম রায়। কিছু কারনে এই ধারনা হয়েছে, ইনি-ই সেই ব্যাক্তি। তার পরে অবশ্য অসীম রায়-এর একটা গদ্য সংকলন হাতে আসে। আমায় মুগ্ধ করেছিল তার বিষয়ভাবনা।
আমার ডায়রীরা বহুদিন একা। অদূর ভবিষ্যতে তাদের সাথে মোলাকাতের কোন সম্ভাবনা নেই। আশা করি, আমার স্মৃতিচারনে তাদের একাকিত্ব সামান্য হলেও কাটবে। শুভেচ্ছা রইল।
Saturday, November 27, 2010
First Blog
প্রথম শিশু স্বভাবতঃই খুব আদরের হয়। আমার প্রথম ব্লগ যারা পড়বেন, (অবশ্যই বাঙ্গলা ভাষাভাসিরা), তারা আমাকে ক্ষমাঘেন্না করবেন কিন্তু এই লেখাটিকে অভিশাপ দেবেন না। আমি এখানে দিনলিপি লিখবো না। কারন ওটা শুধু আমার আর আমার মনের নিজস্ব ব্যাপার।যা লিখবো সেটাকে বরং বলা যাক দিনছবি।আমার অবশ্য ছবি তোলাটা আসে না। তবে সারাদিনের মোটামুটি একটা ছবি দেওয়ার চেষ্টা আমি করবো। সেটা কতদূর ফলপ্রসূ হবে তা যারা পড়বেন তারা ঠিক করবেন। তবে যদি পড়েন, তবে আমার তরফ থেকে একটি দুটি সামান্য পুরস্কার আমি দিতেই পারি। রোজ একটা করে কবিতা লিখতে পারি, সিনেমার গপ্প শোনাতে পারি। সবচেয়ে বড় কথা, আমার লেখা পড়িয়ে এই ঠুন্ কো আনন্দের জীবন বোর হবার খুব দুর্লভ সু্যোগ দিতে পারি। প্রথম দিনের কমেন্ট সংখ্যার উপর আমার ব্লগের ভাগ্য নির্ভর করছে। এর বেশি কিছু বলার নেই।শুভরাত্রি।
Subscribe to:
Posts (Atom)